ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম

ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম

আমাদের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণের জন্য টাকার প্রয়োজন অপরিসীম। তবে আমরা টাকা বিভিন্ন ভাবে উপার্জন করে থাকি, কিন্তু আমাদের এই উপার্জিত টাকা নিরাপদ রাখার জন্য। আমরা বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করে রাখি, এবং বিভিন্ন দেশ থেকে বা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে  টাকা আদান প্রদানের জন্য ব্যাংক খুব প্রয়োজনীয়। তাই ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিন এবং আপনিও খুব সহজে এর মাধ্যমে আমরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে টাকা আদান প্রদান করে থাকে এবং নিজেদের টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে নিরাপদ রাখি। আর এই ব্যাংকে টাকা রাখার জন্য আমাদের ব্যাংক একাউন্ট খোলা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ব্যাংক একাউন্ট ছাড়া ব্যাংকে টাকা আদান প্রদান করা যায় না। এমনকি নিজেদের টাকা ব্যাংকে রাখা যায়না। তাই সবার আগে নিজেদের ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে তারপর ওই ব্যাংকে টাকা জমা আদান-প্রদান করা সব কিছু করা যাবে। তাই আজকে আমরা আলোচনা করব ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম তাদের কি সুবিধা অসুবিধা আছে, তা সম্পর্কে বিশ্লেষণ করা হবে।

ইসলামী ব্যাংকের একাউন্ট সমূহ

কারেন্ট একাউন্ট

 কারেন্ট ডিপোজিট  একাউন্ট, শর্ট টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য একাউন্ট। অন্যদিকে টাইম ডিপোজিট একাউন্টে গ্রাহক ইচ্ছামত টাকা জমা এবং উত্তোলন করতে পারে না। এই একাউন্টে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।

পাসপোর্ট করার নিয়ম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন

সেভিংস একাউন্ট

ডিমান্ড ডিপোজিট একাউন্টে জমাকৃত টাকা গ্রাহক যে কোন সময়ে তার চাহিদা মতো জমা এবং উত্তোলন করতে পারে। ডিমান্ড ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট গুলো হল সেভিংস ডিপোজিট  একাউন্ট,

স্টুডেন্ট একাউন্ট

এই একাউন্টটি শুধু মাত্র স্টুডেন্টেট দের জন্য  প্রযোজ্য। স্টুডেন্ট ছাড়া অন্য কেউ স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেনা । স্টুডেন্ট  এর জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও বিভিন্ন ছাড় রয়েছে।

ডিপিএস /বীমা

বীমা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশ জানি, এর মানি হলো কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে বা মাসে, কিছু কিছু করে টাকা জমা করা। তার পর বীমা করার সময় যে মেয়াদ দেওয়া হয়েছে সেই টাকা জমা করা, এরপর একসাথে সবগুলো টাকা উত্তোলন করা হল বীমা এর মাধ্যমে গ্রাহক বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে। ডিপিএস হল দীর্ঘমেয়াদী বীমা ৩ বছর ৫ বছর ১০ বছর পর্যন্ত ডিপিএস বীমার মেয়াদী করা যায়,তাই ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে নিন।

এফডিআর /টিডিআর

এফডিআর বা টিডিআর এর মানি হলো কোন নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে বা মাসে, কিছু কিছু করে টাকা জমা করা। তার পর বীমা করার সময় যে মেয়াদ দেওয়া হয়েছে সেই টাকা জমা করা, এরপর একসাথে সবগুলো টাকা উত্তোলন করা হল বীমা এর মাধ্যমে গ্রাহক বিভিন্ন রকম সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকে।এর মেয়াদ  সাধারণত কম সময় হয়ে থাকে, ৩ মাস ৬ মাস ১ বছর ৩ বছর পযন্ত হয়ে থাকে।

ইসলামী ব্যাংকের সুবিধা সমূহ

১”> নিজে কাউন্টার নগদ টাকা জমা দেওয়া ও উত্তোলন করা এবং যে কোন একাউন্টে ট্রান্সফার করা যায়।

২”> প্রবাসী গান পিন নাম্বার বা গোপন নাম্বারে 5 লক্ষ টাকা পর্যন্ত একসাথে পাঠাতে পারবেন। এবং গ্রাহকগণ কোন প্রকার বাড়তি ডকুমেন্ট ছাড়াই আমাদের ব্যাংকথেকে ২% বোনাস প্রতি লাখে দুই হাজার টাকা বেশি সহ যে কোন পরিমাণ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।

৩”> বিদেশ থেকে সরাসরি আমার আমাদের একাউন্টে টাকা পাঠালে। যত টাকা পাঠাবেন উক্ত টাকা উপর 3% বোনাস প্রতি লাখে 3,000 টাকা বেশি উক্ত টাকা উত্তোলন করতে পারবেন.।

৪” > ইসলামী ব্যাংকসহ যেকোনো ব্যাংকের যে কোন শাখায় যে কোন পরিমাণ টাকা অনলাইন, ইএফটি (EFT) আরটিজিএস (RTGS) করতে পারবেন।

৫”> একাউন্ট খোলার পর স্বল্প সময়ের মধ্যে চেক বই এটিএম কার্ড প্রদান করা হয়।

৬”>  যেকোনো ব্যাংকের কেয়ারিং চেক গ্রহণ করা হয় ।

৭”>  ইউটিলিটি গ্যাস পানি বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন প্রকার বিল গ্রহণ করা হয়।

৮”> এটিএম কার্ড দ্বারা ATM/POS মেশিন থেকে সহজে টাকা উত্তোলনের সুবিধা রয়েছে,তাই ইসলামী ব্যাংক একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিন।

আরো পড়ুন ---        
.বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম ২০২০
.নগদ একাউন্ট খোলার সহজ উপায় ২০২০
.বিকাশ পিন লক হলে করণীয়

কারেন্ট একাউন্ট

ডিপোজিট কারেন্ট একাউন্ট, শর্ট টার্ম ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট এবং অন্যান্য একাউন্ট। অন্যদিকে টাইম ডিপোজিট একাউন্টে গ্রাহক ইচ্ছামত টাকা জমা এবং উত্তোলন করতে পারে না। এই একাউন্টে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যাংকে জমা রাখতে হয়।

কারেন্ট একাউন্ট খোলার সুবিধা

এই একাউন্টটি সাধারণত ব্যবসায়ীদের জন্য খোলা হয়। কোন সুদ প্রদান করা হয় না। দিনে যত খুশি ততবার টাকা লেনদেন করা যায়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য খোলা যায়, যেমন স্কুল কলেজ হাসপাতাল ইত্যাদি।  তবে সঞ্চয় এর জন্য খোলা যায় না। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য কারেন্ট একাউন্ট খোলা যায় এবং নিজের জন্য কারেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন।  নিজের ব্যবসার জন্য কারেন্ট একাউন্ট খোলা যায়। কারেন্ট একাউন্ট খুললে আপনি দিনে যেকোনো পরিমাণে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। এতে আপনার কোন সমস্যা হবে না তাব ব্যাংকে দিতে বাধ্য হবে।  যে কোন পরিমাণ টাকা দিতে পারেবে যদি  আপনার ব্যাংকে একাউন্টটে  থাকে, তাই যারা ব্যবসায়ী তারা অবশ্যই কারেন্ট একাউন্ট খুলতে পারেন।

কারেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য যা প্রয়োজন

হিসাব খোলার আবেদন পত্র যা প্রত্যেক আবেদনকারীর স্বাক্ষর করতে হবে।

গ্রাহকের ভোটার আইডি ( NID) বা পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি ১টি।

গ্রাহকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ২ টি কপি।

নমিনীর ভোটার আইডি ( NID) বা পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি ১টি ।

নমিনীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১ টি কপি।

 ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্ট হিসাবে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স, এর ফটোকপি ও সীলমোহর সহ।

ইসলামী ব্যাংকের যে কোন সঞ্চয়ী অথবা চলিত হিসাবধারী কর্তৃক পরিচিত প্রধান, পরিচয়দানকারী নিয়মিত হতে হবে এবং কমপক্ষে ছয় মাস ধরে হিসাব পরিচালনা করতে হবে।

হিসাব ঠিকানার স্বাপক্ষে সাম্প্রদায়িক ইউটিলিটি বিল (গ্যাস বিদ্যুৎ ওয়াসা টেলিফোন) এর অনুলিপি( যদি থাকে)।

বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট বৈধ ভিসা ওয়ার্ক পারমিট এর অনুলিপি।

হালনাগাদ টি.আই.এন সার্টিফিকেট অনুলিপি (যদি  থাকে)।


আবেদনকারী পর্দাশীল শিক্ষিত মহিলা হলে ব্যাংকের নিকট পরিচিত এমন গ্রাহক কর্তৃক পর্রিচিতি প্রদান করতে হবে। নিরক্ষর মহিলা আবেদনকারীর ক্ষেত্রে চেহারা উন্মুক্ত ছবি প্রদান করতে হবে।এবং প্রত্যেক লেনদেনের সময় চেহারার মুক্ত রাখতে হবে।

ব্যবসাহিক একাউন্ট হলে যা প্রয়োজন

১.  প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট হলে

ট্রাস্ট দলিল ।

আবেদনপত্রের সকল ট্রাস্টের সাক্ষ্য থাকতে হবে।


২.  প্রতিষ্ঠান  স্কুল-মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয় হলে

ম্যানেজিং কমিটির রেজুলেশন থাকতে হবে।

৩.  অংশীদারি প্রতিষ্ঠানের হলে

অংশীদারগণ একক বা যৌথভাবে হিসাব পরিচালনা করতে পারবেন

পার্টনারশিপ এডিট এর কপি

পার্টনারের তালিকাসহ ঠিকানাসহ


এ্যাকাউন্টটি  সকল পার্টনারের অনুমতি সাপেক্ষে করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট (যদি থাকে)

৪. প্রতিষ্ঠান লিমিটেড কোম্পানি হলে

মেমোরেন্ডাম  এন্ড আর্টিকেলস  অব এসোসিয়েশন এর সত্যায়িত অনুলিপি।

সার্টিফিকেট অব কমেন্সেমেন্ট অব বিজনেস এর অনুলিপি।

যে ব্যক্তি একাউন্ট খুলবে কোম্পানি থেকে অনুমোদিত পাওয়া একটি অনুলিপি।

এজেন্ট কর্তৃক হিসাবে   খোলা এবং পরিচালনার জন্য এজেন্ট এর সাথে চুক্তি অনুলিপি।

সকল ডিরেক্টর এর ছবি

সকল ডিরেক্টরদের আইডি কার্ড বা পাসপোর্ট  বা জন্মনিবন্ধন এর  ফটোকপি

ফরম 12 এবং কোম্পানির প্যাড ডিরেক্টরদের তালিকা।

দ্রষ্টব্য

যাচাই  এর স্বার্থে প্রয়োজনে উপরোল্লিখিত কাগজ পত্রের মূল কপি উপস্থাপন করতে হবে।

ঘসামাজা / কাটাকাটির ক্ষেত্রে আবেদনকারির পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে প্রত্যায়িত করতে হবে।

কারেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

উপরে দেওয়া সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকলে তা নিয়ে আপনার, নিকটবর্তী ইসলামী ব্যাংকে বা তাদের যেকোনো শাখায় চলে যান।
এবং আপনার সকল কাগজ পত্র  ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে দিন, তিনি আপনাকে, মুদারাব সঞ্চয়ী হিসাব খোলার ফরম দিবেন।
 আপনি সেই ফরম টি পূরণ করবেন। এবং ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে ফরমের, যেই জায়গায় স্বাক্ষর দিতে বলবে। আপনি ফরমের সেই জায়গায় স্বাক্ষর দিবেন।
 তা হলে আপনার কাজ শেষ। এবং আপনার একাউন্টটি, ইন্টারন্যাশনাল করার জন্য বা আরো বেশি নিরাপদ রাখার জন্য,
 আপনার  আঙ্গুলের  ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে।দুই হাতের ছয় আঙ্গুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে । এর পর আপনার একাউন্ট খোলা হয়েগেছে।

মোবাইলে রকেট একাউন্ট খোলার নিয়ম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন


স্টুডেন্ট একাউন্ট

দেশের যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র  ছাত্রীর জন্য  স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন। এছাড়া অন্য কেউ এই স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবে না।

স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার সুবিধা

ইসলামি ব্যাংক মুদারাবা স্টুডেন্ট একাউন্ট
দেশের সর্বাধিক সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংকের শির্ষে রয়েছে ইসলামি ব্যাংক। অন্য যে কোনো একাউন্ট এর তুলনায় স্টুডেন্ট একাউন্ট এ বেশি সুবিধা পাওয়া যায় তবে এই সুবিধা আপনি ভোগ করতে পারবেন যদি আপনি স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন
কোনো টাকা ছাড়ায় সম্পূর্ণ ফ্রিতে বাংকিং করতে পারবেন

যে খানে অন্য একাউন্ট ২০০০ হাজার টাকা লেন দেন করার পর, একাউন্ট একটিব সেখানে  সল্প জামানতে স্টুডেন্ট একাউন্ট একটিভ করা হয়৷


ATM কাড ফ্রি করা হয়, এবং ATM কাড এর বাৎসরিক চার্জ দিতে হয়না, দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ২৪ ঘন্টা ATM এর মাধ্যমে টাকা তোলার সুবিধা পাওয়া যায়, স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার মাধ্যমে।

এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং করার সুবিধা রয়েছে। মাত্র ১০০টাকা দিয়ে একাউন্ট খোলা যায়। চেক বই এর মাধ্যমে লেনদেন করা যায়।

কোন শাখায় টাকা ট্রান্সফারের সুবিধা, বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স এর গ্রহনের সুবিধা রয়েছে, এছারাও ফ্রিলান্সিং এর টাকা তোলার সুবিধা, এছাড়াও ব্যাংক অনুসারে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাওয়া যাবে স্টুডেন্টেট এর জন্য ।

স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে কি কি লাগবে

হিসাব খোলার আবেদন পত্র যা প্রত্যেক আবেদনকারীর স্বাক্ষর করতে হবে।

গ্রাহকের ভোটার আইডি ( NID) বা পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি ১টি।

গ্রাহকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ২ টি কপি।

নমিনীর ভোটার আইডি ( NID) বা পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি ১টি ।

নমিনীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি ১ টি কপি।


শিক্ষা প্রতিষ্টানের আইডি কার্ড বা প্রতয়ন পত্র


শর্তসমূহ:

১, হিসাবধারী প্রাপ্ত বয়স্ক না হলে হিসাব অভিবাক দ্বারা পরিচালিত হবে।

২, পিতা মাতাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

স্টুডেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম

উপরে দেওয়া সকল কাগজ পত্র সঠিক থাকলে তা নিয়ে আপনার, নিকটবর্তী ইসলামী ব্যাংকে বা তাদের যেকোনো শাখায় চলে যান।
এবং আপনার সকল কাগজ পত্র  ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে দিন, তিনি আপনাকে, মুদারাব সঞ্চয়ী হিসাব খোলার ফরম দিবেন।
 আপনি সেই ফরম টি পূরণ করবেন। হিসাবধারী প্রাপ্ত বয়স্ক না হলে হিসাব অভিবাক দ্বারা পরিচালিত হবে।
এবং ব্যাংক কর্মকর্তা আপনাকে ফরমের, যেই জায়গায় স্বাক্ষর দিতে বলবে। আপনি ফরমের সেই জায়গায় স্বাক্ষর দিবেন।  তা হলে আপনার কাজ শেষ। এবং আপনার একাউন্টটি, ইন্টারন্যাশনাল করার জন্য বা আরো বেশি নিরাপদ রাখার জন্য,
 আপনার  আঙ্গুলের  ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে।দুই হাতের ছয় আঙ্গুলের ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিবে । এর পর আপনার একাউন্ট খোলা হয়েগেছে। 

এই ধরনের আরো আপডেট পেতে আমার ওয়েবসাইট পহেলা ডট ইনফো এর সাথে থাকুন। আমার ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন

This Post Has 3 Comments

  1. vreyro linomit

    As I website owner I conceive the content here is real great, appreciate it for your efforts.

  2. I think this is one of the most vital info for me. And i’m glad reading your article. But want to remark on some general things, The website style is wonderful, the articles is really nice : D. Good job, cheers

Leave a Reply