কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের গাইড

কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের গাইড

 আমরা যারা ভ্রমন পাগল তাদের জন্য নতুন কিছু নিয়ে আসলাম, আমরা বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনের জন্য যাই কিন্তু যারা পুরাতন তাদের জন্য সমস্যা নাই তারা একয় জায়গায় কয়েক ভার যাওয়ার কারণে সেই জায়গায় সম্পর্কে জেনে যায়। কিন্তু সমস্যা হলো যারা কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন নতুন যায় তাদের জন্য সমস্যা। তাই সবাই কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের গাইড সম্পর্কে জেনে নিন, তাই তারা নতুন যাওয়ার কারণে ওইখানের মানুষ তাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানির শিকার করে তাই এই সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ুন।

আমি নিজে কিছু দিন আগে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমনে গিয়েছিলাম আমি যেই হয়রানির শিকার হয়েছি, তাই আমি ছাই না। যারা নতুন এইসব জায়গায় যাবেন তারা যেন হয়রানির শিকার না হয়। যেভাবে আমি গিয়েছি এবং ওইখানে চলা পেরা করচি ওতপর বাড়িতে আসা পযন্ত সব কিছু তুলে দরবো৷

পূর্ব প্রস্ততি নেওয়া

যেই দিন বাড়ি থেকে রওনা দিবো তার আগে প্রস্ততি নিয়ে রাখা ভালো কারণ যখন বাড়ি থেকে রওনা দিবো, তখন যদি প্রস্ততি নি তাহলে সব কিছু এলোমেলো হয়ে যাবে। তাহলে আগে সবকিছু প্রস্তুত রাখতে হবে

যেমনঃ একটি বেগ তৈায়ার করে রেখেছে, যেই সব জামা কাপড় ওইখানে গায়ে দিবো সেগুলো দুয়ে ইস্তারি করে বেগে রাখা, এবং মানুষিক প্রস্ততি থাকা এবং

ওখানে যা যা প্রয়োজন তা নিয়ে এক জায়গায় রাখা, যেন এক যওয়ার সময় সবকিছু একসাথে নিয়ে রওনা দিতে পরি।

পূর্ব প্রস্ততি না নেওয়ার সমস্যা।।

রওনা দেওয়ার আগে যদি সবকিছুর প্রস্ততি না থাকে, তালে যখন রওনা দিবো তখন জামিলায় পড়ে যাবো।

এটা নিবো নাকি ওটা একটা আতংকে পড়ে যাবে এতে প্রয়োজনিয় জিনিস রেখে চলে যেতে পারি, এবং নিজের উপর মানুষিক ছাপ পড়বে।

কক্সবাজার 

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর, মৎস্য বন্দর এবং পর্যটন কেন্দ্র। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার সদর দপ্তর।

কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত, যা ১২২ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।

এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন।

একসময় কক্সবাজার পানোয়া নামেও পরিচিত ছিল যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে হলুদ ফুল। এর আরো একটি প্রাচীন নাম হচ্ছে পালঙ্কি।

নোয়াখালী  টু কক্সবাজার বাস ভাড়া


নোয়াখালীর মধ্যে থেকে মাত্র একটি গাড়ি কক্সবাজার যায়, সেটা হলো লাল সবুজ, মাইজদী গাড়ি টি ছাড়ে।

বাসের বাড়া ৫৫০- ৭০০ টাকা এসি /নন এসি তবে আরেক টি গাড়ি নোয়াখালী থেকে যাওয়ার পেলেন চলতেছে।

গাড়ির বা লঞ্চের টিকেট

আপনার বাসার পাসে থেকে যেই বাসটি কক্সবাজার বা সেন্টমার্টিন যাবে, একদিন আগে টিকেট টা নেওয়া ভালো, কারণ যখন রওনা দিবেন তখন যদি বাসের টিকেট না পাই,

তাহলে একটা ভোগান্তির মধ্যে পড়বো তাই আগে টিকেট নেওয়া। যদি ড়ায়রেক সেন্টমার্টিন যাবেন

তা হলো যে কোনো টাবেলসের সাথে যোগাযোগ করুন। এবং তাদের কাছ থেকে লঞ্চের টিকেট নিয়ে রাখেন,

না হয় আপনি যদি  লঞ্চের গাটে গিয়ে টিকেট পাবেন না তাই আগে  লঞ্চের টিকেট নিয়ে রাখা খুব জরুরি,

রুম ভাড়া নেওয়া

যারা কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন একদিনের জন্য যায় তাদের তো রুমের প্রয়োজন হয় না। আর যারা  দুই তিন দিনের জন্য যায়,

তারা অবশ্যই রুম নিতে হবে কারণ রুম ছাড়া ওইখানে রাত কাটানো খুব কঠিন। তাই রুম নেওয়ার সময় একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে।

রুম টা জেনো বিসের পাশে হয় বা এমন জায়গায় নিতে হবে, যেখানে নিলে আপনার সুবিধা হবে,

একটা দিকে খেয়াল রাখতে হবে, রুমটা কোন চিবায় বা কোনায় নেওয়া ভালো না, কারণ ওই জায়গায় গুলোতে ভালো কম থাকে,

ওই জায়গায় কিছু বগাটে পলাপাইন থাকে, তারা ভালো মানুষকে পেলে তাদের টাকা হাতিয়ে দেয়। তাই দেখে শুনে রুম ভাড়া নেওয়া উচিত।

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কতা ও অন্যান্য তথ্য


সমুদ্রে নামার আগে অবশ্যই জোয়ার-ভাটার সময় জেনে নিন। এ সম্পর্কিত ইয়াছির লাইফ গার্ডের বেশ কয়েকটি সাইনবোর্ড ও পতাকা রয়েছে বিচের বিভিন্ন স্থানে।

জোয়ারের সময় সমুদ্রে গোসলে নামা নিরাপদ। এ সময় তাই জোয়ারের সময় নির্দেশিত থাকে, পাশাপাশি সবুজ পতাকা ওড়ানো হয়।

ভাটার সময়ে সমুদ্রে স্নান বিপজ্জনক ভাটার টানে মুহূর্তেই হারিয়ে যেতে পারে যে কেউ।তাই এ সময় বিচ এলাকায় ভাটার সময় লেখাসহ লাল পতাকা ওড়ানো থাকলে সমুদ্রে নামা থেকে বিরত থাকুন। কোনোভাবেই দূরে যাবেন না।

প্রয়োজেন পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ইয়াছির লাইফ গার্ডের সহায়তা নিন। ওদের জানিয়ে বিচে নামুন। তাই যারা এখনো কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের গাইড সম্পর্কে জেনে নেন নাই এখন থেকে জেনে নিন।


বিচ ফটোগ্রাফি:

কক্সবাজারে ও সেন্টমার্টিনে পর্যটন মৌসুমে শ তিনেক বিচ ফটোগ্রাফার পর্যটকদের ছবি তুলে থাকে।

প্রায় ঘন্টা খানেকের মধ্যেই এসব ছবি প্রিন্ট করে নেগেটিভসহ পর্যটকদের হাতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

লাল পোশাক পরা এসব বিচ ফটোগ্রাফারদের প্রত্যেকের রয়েছে একটি করে আইডি কার্ড।

বেশ কয়েকটি স্টুডিও এ কাজের সঙ্গে জড়িত। সরকারি রেট অনুযায়ী ফোরআর সাইজের ছবি ৩০টাকা ।

এ সম্পর্কিত সাইনবোর্ড মেইন বিচে দেখতে পাওয়া যায়। এসব বিচ ফটোগ্রাফারদের কাছ থেকে ছবি তোলার আগে আইডি কার্ড দেখে নেওয়া ভালো।

আরো পড়ুন -----
  রক্তদানের উপকারিতা 
বাংলা ভাষায় সফটওয়্যার কাকে বলে



কক্সবাজারের দর্শনীয় স্থান


কক্সবাজার বেড়াতে গেলে শুধু সমুদ্র সৈকতই নয়, ঘুরে দেখবেন আশেপাশের আরও কিছু দর্শনীয় স্থান।

আপনার সময় ও সুবিধা অনুযায়ী আগেই পরিকল্পনা করে নিতে পারেন কোথায় কোথায় ঘুরতে যাবেন। আশেপাশে দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলো হলোঃ

হিমছড়ি

ইনানী সমুদ্র।

সৈকত

মহেশখালী

রামু বৌদ্ধ বিহার

রেডিয়েন্ট ফিস ওয়ার্ল্ড

সেন্টমার্টিন ভ্রমনের সম্পর্কে কিছু তথ্য

আকাশের নীল আর সমুদ্রের নীল সেখানে মিলেমিশে একাকার, তীরে বাঁধা নৌকা,

নান্দনিক নারিকেল বৃক্ষের সারি আর ঢেউয়ের ছন্দে মৃদু পবনের কোমল স্পর্শ এটি বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন প্রবাল দ্বীপের সৌন্দর্য বর্ণনার ক্ষুদ্র প্রয়াস।

বালি, পাথর, প্রবাল কিংবা জীব বৈচিত্র্যের সমন্বয়ে জ্ঞান আর ভ্রমণ পিপাসু মানুষের জন্য অনুপম অবকাশ কেন্দ্র সেন্টমার্টিন। স্বচ্ছ পানিতে জেলি ফিশ,

হরেক রকমের সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, প্রবাল বিশ্ব রহস্যের জীবন্ত পাঠশালায় পরিণত করেছে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকাকে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।

কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার।

টেকনাফ থেকে ট্রলারে লঞ্চে কিংবা জাহাজে যেতে লাগে দুই থেকে সোয়া দুই ঘণ্টা। এর জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে ছয় হাজার।

নারিকেল, পেঁয়াজ, মরিচ, টমেটো ধান এই দ্বীপের প্রধান কৃষিজাত পণ্য। আর অধিবাসীদের প্রায় সবারই পেশা মৎস্য শিকার।

তবে ইদানীং পর্যটন শিল্পের বিকাশের কারণে অনেকেই রেস্টুরেন্ট, আবাসিক হোটেল কিংবা গ্রোসারি শপের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষ নিতান্ত সহজ-সরল, তাদের উষ্ণ আতিথেয়তা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। স্বল্প খরচে পর্যটকদের জন্য থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে, তাই কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন ভ্রমণের গাইড সম্পর্কে জেনে নিন।

কক্সবাজার টু সেন্টমার্টিন বাস বা জাহাজ ভাড়া

সেন্টমার্টিন দুই ভাবে যাওয়া যায়, একটা হলো ডায়রেক কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন শিপ বা জাহাজে করে যাওয়া যায়।

শিপ/জাহাজ ভাড়া – যাওয়া ও আসা সহ ১২০০-৩০০০ টাকা (ওপেন ডেক), ২০০০-৪০০০ টাকা (এসি)।
আরেকটি হলো কক্সবাজার থেকে টেকনাফ গিয়ে, 

সেখান থেকে লঞ্চ ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন যাওয়া যায়। আমার মতে টেকনাফ গুরে যাওয়া কারণ এর মধ্যে টেকনাফ এলাকাটাও দেখা হয়ে গেলো। 

বাসের টিকেট যাওয়া আসা  ৪০০ – ১০০০ টাকা   শিপ/জাহাজ ভাড়া – যাওয়া ও আসা সহ ৯০০-১৩০০ টাকা (ওপেন ডেক),

১৫০০-২০০০ টাকা (এসি)। আবার বিভিন্ন ট্রাবেলস আছে তারা কক্সবাজার থেকে টেকনাফ নিয়ে যায়,তাদের বাড়া হলো,

বাস বা শিপ/জাহাজ সহকারে ভাড়া – যাওয়া ও আসা সহ ১৩০০-২০০০ টাকা (ওপেন ডেক), ১৫০০-২৫০০ টাকা (এসি)।

ছেড়া দ্বীপ – ট্রলারে যাওয়া আসা ২০০ টাকা।
লোকাল যাতায়াত – সেন্টমার্টিনের বাজারে কিংবা আশেপাশে যাওয়ার ভ্যান ভাড়া ১৫০-২০০ টাকা।
অন্যান্য খরচ – ২০০টাকা।

খাবার খরচ

সেখানে আপনি আপনার মান মতো খাবার খেতে পারবেন, তবে সেখানে সব থেকে ভালো (Best) হলো মাছ, কারণ সেখানে নানা রকম মাছ পাওয়া যায়।

সেখানের মাছের  বারবিকিউ অনেক সুশাদু।
আমি কিছু আইডিয়া দিচ্ছি তবে এর থেকে বেশি বা কম হতে পারে

সকালের  নাস্তা ৬০-১০০ টাকা,
দুপুরে খাবার  ১৫০-৫০০ টাকা আপনার চাহিদা অনুযায়ী আরো ভাড়তে পারে

ও রাতের খাবার/বার বি কিউ ২০০-৮০০ টাকা। আপনার চাহিদা অনুযায়ী আরো ভাড়তে পারে

এই ধরনের আরো আপডেট পেতে আমার ওয়েবসাইট পহেলা ডট ইনফো এর সাথে থাকুন এবং আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

This Post Has 10 Comments

  1. kasem

    পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম,ভালোই লাগলো

  2. vreyrolinomit

    I am continually browsing online for tips that can benefit me. Thank you!

  3. Gebruikte laptop

    This is really interesting, You are a very skilled blogger. I have joined your rss feed and look forward to seeking more of your great post. Also, I have shared your site in my social networks!

Leave a Reply