খাঁটি মধু চেনার উপায়

খাঁটি মধু চেনার উপায়

মধু এমন একটি খাবার যা আমাদের জন্য খুব প্রয়েজনিয়, এই মধু পান করা মাধ্যমে আমাদের নানান, রকমের রোগের ওষুধ হিসাবে কাজ করে। তাই আমরা সবাই মধু পান করে থাকি। তাই খাঁটি মধু চেনার উপায় গুলো জেনে নিন।

তবে একটি সমস্যা হলো মধু খাটি নাকি নকল নিয়ে, কারণ আমরা অনেকেই যানি না। আমরা যেই মধু খাচ্ছি তা নকল নাকি আসল,

এই নিয়ে বিপাকে পড়ি, তাই আমি খাঁটি মধু চেনার উপায় সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা  করবো,

কিভাবে খুব সহজে খাটি মধু চিনতে পারবেন।যারা নকল মধু নিয়ে আপনার সামনে আসবে তাদেরকে ধরে পেলতে পারবেন।

মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। তাই অনেক গাড়ো তাই খুব সহজে আপনি মধু চিনতে পারবেন,

কিন্তু এখন কার মানুষ অনেক আপডেট হয়েগেছে, তারা খুব চালাকের সাথে মধু নকল করে থাকে।

আমার দেওয়া টিপস গুলো অনুযায়ী কাজ করলে, আপনারা খুব সহজে খাঁটি মধু চিনতে পারবেন।

মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন ।

পানি ব্যবহার করে খাঁটি মধু চেনা

মধু খুব গাড় পদার্থ, পানি মধু থেকে অনেক পাতলা তাই খুব সহজে আপনি পানির মাধ্যমে, মধু নকল নাকি খাটি তা বুঝতে পারবেন।

একটি কাচের গ্লাস নিন এবং কাচের গ্লাসে পরিষ্কার পানি নিন,

পানির গ্লাসে ড্রপ আকারে ছাড়ুন  তা যদি সরাসরি ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যায়।

তাহলে বুঝতে পারবেন, এই মধু খাঁটি, আর যদি মধু পানির সাথে মিশে যায় তালে বুঝতে পারবেন, এই মধু নকল।

ব্লটিং পেপার করে খাঁটি মধু চেনা

ব্লটিং পেপার গাড়ো পদার্থ শোষন করতে পারনা, তাই কয়েক ফোঁটা মধু একটি ব্লটিং পেপারে নিলে ব্লটিং পেপার কর্তৃক মধু শোষিত হবে না।যদি ওই মধু ভেজাল হয়।

তবে  ব্লটিং পেপারকে আর্দ্র করে তোলে।তা হলে বুঝতে পারবেন, মধুটি নকল বা ভেজাল।

খাঁটি  মধু কখনো ফেনা হয় না । যদি মধুতে ফেনা হয় তা হলে বুঝা যায় ওই মধু নকল , এ ছাড়াও নকল মধুতে একটু টকটক গন্ধ থাকবে।

এবং গন্ধ তেমন  ভালো হয় না।মধুর ঘ্রান আপনার নাকে গেলে আপনি বুঝতে পারবেন,

মধু খাঁটি নাকি নকল। খাঁটি মধুতে কখনও কটু গন্ধ থাকবে না। খাঁটি মধুর গন্ধ হবে মিষ্টি ও

আকর্ষণীয়। মধুর স্বাদ হবে মিষ্টি, এতে কোনও ঝাঁঝালো ভাব থাকবে না।

নকল মধু বেশ পাতলা হয়। খাঁটি গাড় হয়, এর স্তরগুলো আলাদা করা যায়।

এ ছাড়া খেতে সুস্বাদু হয় না। এ ছাড়া তলানিটা খসখসে থাকে। তাই মধু খাওয়ার আগে মধু খাঁটি নাকি নকল দেখে খান।

শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

আগুন দিয়ে খাঁটি মধু চেনা

আগুন দিয়ে খুব সহজে মধু পরিক্ষা করা যায়,  একটি মোমবাতি নিয়ে সেটির সলতেটি ভালভাবে মধুতে ডুবিয়ে নিন। এবার আগুন দিয়ে জ্বালাবার চেষ্টা করুন।

যদি জ্বলে ওঠে, তাহলে বুঝবেন যে মধু খাঁটি। আর যদি না জ্বলে, বুঝবেন যে মধুতে পানি মেশানো আছে।

ভিনেগার দিয়ে খাঁটি মধু চেনা

ভিনেগার দিয়ে অতি আধুনিক ভাবে মধু পরিক্ষা করা যায়, এটি অল্প কিছু দিন আগে থেকে এই পরিক্ষা টি চালু হয়, ভিনেগারের পরীক্ষা এক টেবিল চামচ মধু,

সামান্য পানি আর সেই মিশ্রণে দুই-তিন ফোঁটা ভিনেগার দিন। যদি এই মিশ্রণ ফোমের মতো ফেনিল হয়ে ওঠে,

তাহলে বুঝতে হবে মধুতে অন্য কিছু মেশানো রয়েছে। তা হলে বুঝতে পারবেন মধু খাঁটি না, এর মাধ্যমে নকম কিছু মিশানো আছে।

ফ্রিজেটার এর মাধ্যমে খাঁটি মধু চেনা

এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে মধু খাঁটি কি না পরিক্ষা করতে পারবেন । একটি ছোট ভাটিতে কিছু পরিমাণ মধু নিয়ে,

তা ফ্রিজের ভিতর রেখে দিন। দুই ঘন্টা পর ওই মধু গুলো বের করে দেখুন,যদি মধু বরফ হয়ে যায়।

তা হলে বুঝতে পারবেন, মধু নকল বা ভেজাল আছে, আর যদি বরফ না হয় তা হলে বুঝতে পারবেন, মধু গুলো খাঁটি।

তাপমাত্রা দিয়ে খাঁটি মধু চেনা

তাপমাত্রার পরীক্ষা খাঁটি মধুতে তাপ দিলে তা খুব দ্রুত কেরামেলের মতো হয়ে যাবে। এটা ফোমের মতো

ফেনিল হবে না। কিন্তু ভেজাল মধু কেরামেলের মতো ফেটে ফেটে যাবে না।

এতে কেবল বুদবুদ উঠবে। এতে বুঝাতে পারবেন মধু নকল বা খাঁটি, খুব সহজ একটি পরিক্ষা হলো এটি।

সরিষা ফুলের মধু চেনার উপায়

সরিষা, ধনে, কালোজিরাসহ বিভিন্ন রবি শষ্যের ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করা হচ্ছে। সরিষা ফুলের মধু

অত্যন্ত উপকারী এবং সুস্বাদু, কিন্তু বছরের প্রায় ৭ মাস মধু সংগ্রহ করা যায়।

বছরের এই মৌসুমটি সরিষা থেকে খাটিঁ মধু সংগ্রহের উপযুক্ত সময়। শীত বা গরমে সব সময় এই মধু জমে থাকবে।

যদিও আমাদের দেশে এই মধু নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে কিন্তু বহির্বিশ্বে এই মধুর কিন্তু বেশ চাহিদা আছে এবং সেখানে ক্রিম হানি বলে সুপরিচিত।

খাঁটি মধু খাওয়ার উপকারিতা

মধু ভালো শক্তি প্রদানকারী খাদ্য। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
মধুতে যে শর্করা থাকে,

তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।

রক্তশূন্যতা কমাতে মধু সহায়ক। মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার,

লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। ও যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।

এই মধু খাওয়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের  নানা ধরনের রোগের ওষুধ হিসাবে কাজ করে। তাই খাঁটি মধু খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

এই ধরনের আরো আপডেট পেতে আমার ওয়েবসাইট পহেলা ডট ইনফো এর সাথে থাকুন, আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

This Post Has 4 Comments

  1. vreyrolinomit

    I like the helpful information you provide in your articles. I’ll bookmark your blog and check again here regularly. I’m quite certain I’ll learn a lot of new stuff right here! Good luck for the next!

  2. Dekstop PC

    Hello! This is my first visit to your blog! We are a collection of volunteers and starting a new initiative in a community in the same niche. Your blog provided us beneficial information to work on. You have done a outstanding job!

Leave a Reply