মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

মধু এমান একটি খাবার যা আমাদের শরীরের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বলে শেষ করা যাবে না। আর মধুর গুণ তো রয়েছে অপরিসীম । মধু সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন ‘খাইরুদ্দাওয়া’ বা মহৌষধ।আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রেও মধুকে বলা হয় মহৌষধ। তাই মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন। মধু মানুষের হাজারো রোগের উপকারে আসে, মানুষের জন্য আল্লাহ প্রদত্ত এক অপূর্ব নেয়ামত। এটি স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ অপরিসীম। এটা যেমন বলকারক, সুস্বাদু ও উত্তম উপাদেয় খাদ্যনির্যাস, আর তাই তো খাদ্য ও ওষুধ এ উভয়বিধ পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ নির্যাসকে প্রাচীনকাল থেকেই পারিবারিকভাবে ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ পানীয় হিসেবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ সহকারে ব্যবহার করে আসছে। তাই মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা জেনে নিন।

মধু খাওয়ার নিয়ম

 এটি হলো তরল পদার্থ এটি আপনি, যেই কোনো সময় পান কারতে পারবেন। আপনার যখন মন চায় তখন মধু খেতে পারবেন।

মধু খাওয়ার কোনো নিয়ম নেই, তবে আপনি যদি কোনো কিছুর সাথে খান তাহলে নিয়ম মেনে মধু পান করতে  হবে , না হয় মধু পান করলে যে উপকার হবে,

নিময় না মেনে পান করলে এর চয়ে আরো বেশি ক্ষতি হবে, নিয়ম মেনে মধু পান করা উচিত, তাহলে আর কোনো সমস্যা  হবে না।

সঠিক পদ্ধতিতে মধু খেলে আপনি যেমন ভীষণ উপকার পাবেন তেমনি ভুল পদ্ধতিতে এটি সেবন করলে দেখা দিতে পারে নানান জটিলতা।

 প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে খালি পেটে চা চামচের দুই চামচ করে মধু ডান হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে হবে। বা দুধের সাথে মধু খেতে চাইলে আগে দুধ ঠান্ডা করে নিন।মধু খাওয়ার সবথেকে ভালো সময় সকাল।

সকালে খালি পেটে মধু খাওয়া। নিয়মিত ও পরিমিত মধু সেবন করলে  যেসব উপকার পাওয়া যায়।

সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ১২ টি খাবারের তালিকা জনতে এখানে ক্লিক করুন

মধুর ক্ষতিকর দিক

গরম পানি বা গরম দুধে সাথে মধু মিশিয়ে  কখনো খাবেন না,বা মধু কখনো গরম অথবা রান্না করে খাবেন না।

  এতে আপনার অনেক ক্ষতি হবে। এবং কোনো জিনিস অতিরিক্ত ভালো না, তেমনি মধুও বেশি খাওয়া ভালো না, অতিরিক্ত মধু পান করলে শরীরে নানা রকম ক্ষতি হয়,

আমরা সব সময় ভালো টাই চাই তাই মধু থেকে উপকার পেতে হলে নিয়ম মেনে মধু পান করতে হবে, অতিরিক্ত মধু পান করা যাবে না। তাই এই ক্ষতি থেকে বাছতে মধু খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন।

 যেই কারণে মধু খাবেন

মধু এমন ধরনের ওষুধ, যার পচন নিবারক (অ্যান্টিসেপটিক), কোলেস্টেরলবিরোধী এবং ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ধর্ম আছে।

প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত অত্যন্ত উপকারী খাদ্য মধু। প্রাচীনকাল থেকে এটি রোগ নিরাময়ে এবং প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

চিকিৎসা শাস্ত্রে এটিকে মহা ঔষধ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কোরআন হাদিসেও বলা হয়েছে মধুর কথা।

হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে মধু, মধু খুব গরম একটি খাবার এটি খেলে হৃদরোগী লেকেরা খেতে পারেন,

তাদের জন্য খুব  মারাত্মক উপকার হবে,তাই দেরী না করে আজ থেকে প্রতিদিন সকালে,বিকাল কম কম করে খেতে পারেন।

মধু রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে এবং হৃদপেশির কার্যক্রম বৃদ্ধি করে,মধু মানুষের,

হাজার রোগের উপকার করে, তার মধ্যে রক্তনালি প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত চলাপেরা করতে সহয়তা করে।

দাঁত পরিষ্কার ও শক্তিশালী রাখতে মধু খুব কার্যকরি খাবার , আমরা দাঁতের জন্য কত রকমের ওষুধ খেয়ে থাকি।

 আজ আমার কথা অনুযায়ী প্রতিদিন কিছু, পরিমাণে মধু পান করেন অনেক উপকারিতা হবেন।

ফুসফুস ভালো রাখার জন্য যেসব খাবার খাবেন তা জানতে এখানে ক্লিক করুন।

মধু খাওয়ার প্রয়োজনিয়তা

এটি আমাদের জন্য খুবউপকারী তাই নিয়মিত মধু পান করেন তাহলে, আমাদের শরীরের থাকা বিভিন্ন রোগ ধংশ হয়ে যাবে।

মধু দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করতে অনেক সহয়েতা করে, মধুতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন রয়েছে যা দৃষ্টিশক্তি ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি করে। 

মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে ও কোষকে ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।


ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা,

 তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।
মধু গ্লাইকোজেনের লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকারি।

আলসার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য মধু উপকারী, এছাড়াও নিয়মিত মধু খেলে বার্ধক্য দেরিতে আসে।

শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ মধু স্নায়ু এবং মস্তিষ্কের কলা সুদৃঢ় করে।

মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়;

 যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক। গ্লাইকোজেনের লেভেল সুনিয়ন্ত্রিত করে;

আন্ত্রিক রোগে উপকারী। মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়;
 আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগের জন্য উপকারী।

 দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য খুবই উপকারী,মধুর ক্যালরি রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায়, ফলে রক্তবর্ধক হয়।

সকালে কাঁচা ছোলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

মধু খাওয়ার উপকারিতা

মধু ভালো শক্তি প্রদানকারী খাদ্য। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
মধুতে যে শর্করা থাকে,

তা সহজেই হজম হয়। কারণ এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কাজ করে।

রক্তশূন্যতা কমাতে মধু সহায়ক। মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে। কারণ এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার,

লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ। ও যারা রক্ত স্বল্পতায় বেশি ভোগে বিশেষ করে মহিলারা, তাদের জন্য নিয়মিত মধু সেবন অত্যন্ত ফলদায়ক।

হাঁপানি রোধে মধু

হাঁপানি রোধে এবং ফুসফুসের যাবতীয় ,রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে সহায়তাকারী ওষুদ

অনিদ্রা জন্য মধু

মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা চামচ মধু মিশিয়ে বা এক গ্লাস ঠান্ডা দুধের সাথে দই চা চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুমে কাজ করে।

যৌন দুর্বলতা কাটাতে মধু

 পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন  সকাল বিকাল এক চা চমচ মধু ছোলার মিশিয়ে খান,

তাহলে বেশ উপকার পাবেন।এতে আপনার যৌন দুর্বলতা খুব সহজে দুর হয়ে যাবে। শারীরিক দুর্বলতা দূর করে এবং শক্তি-সামর্থ্য দীর্ঘস্থায়ী করে মধু।

 ওজন কমাতে মধু

লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে তা ওজন কমাতে সাহায্য করে ও প্রতিদিন সকাল বিকাল লেবুর রসের সাথে এক চা চামচ মধু খেলে,যাদের অধিক ওজন তাদের ওজন কমাতে সহায়তা করবে মধু। 

কাশি দূর করার জন্য মধু

 দুই চা চামচের সমপরিমাণ মধু ও বাসকপাতার রস মিশিয়ে খেলে সর্দি ও কাশি সেরে যায়। বা তুলসী পাতার এক চা চামচ রস ও সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই কাশি দূর হয়।

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে মধু

 মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

হজম শক্তি বৃদ্ধিতে মধু

এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে,

তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।

পানি শূন্যতায় মধু

 ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়। মধু ডায়রিয়া দূর করে।

১ চা চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।

আন্ত্রিক রোগে মধু ।

মধুকে এককভাবে ব্যবহার করলে পাকস্থলীর বিভিন্ন রোগের উপকার পাওয়া যায়,তাই প্রতিদিন নিয়মিত মধু পান করা উচিত তাহলে আন্ত্রিক রোগের খুব উপকারী পাওয়া যায়। 

 আলচার ও গ্যাস্ট্রিক রোগে মধু

অতিরিক্ত মধু পান করলে আলচার ও গ্যাস্ট্রিক হওয়ার আশংকা থাকে, তবে নিয়ম মেনে মধু পান করলে, অনেক উপকার পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত মধু পান করা উচিত।

 দুর্বল শিশুদের মুখের ভেতর পচনশীল ঘায়ের জন্য,  মধু পান করলে খুবই উপকার পাওয়া যায় তাই নিয়মিত মধু পান করা উচিত।

মধু মুখের দুর্গন্ধ দূর করে

যাদের মুখে দুর্গন্ধ হয় তারা প্রতিদিন সকালে বিকাল এক চা চমচ মধু পান করলে আপনি অল্প কিছু দিনের মাধ্যমে এর শুফল পাবেন।

 বাতের ব্যথা ও মাথা ব্যথায় মধু

মধু পান আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী, এর মাধ্যমে বাতের ব্যথা ও মাথা ব্যথা দূর করে মধু, তাই নিয়মিত পান করলে খুব সহজে বাতের ব্যথা ও মাথা ব্যথা দূর হয়ে যাবে নিমিষেই,

শিশুদের দৈহিক গড়ন ও ওজন বৃদ্ধি করে মধু

 শিশুদের প্রতিদিন অল্প পরিমাণ মধু খাওয়ার অভ্যাস করলে তার ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি, জ্বর ইত্যাদি সহজে হবে না  তাই শিশুদের মধু খাওয়াতে পারেন।

শীতে মধু

 মধু খুব গরম একটি খাবার, মধু খাওয়ার সাথে সাথে শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে, ফলে শরীর হয়ে উঠে সুস্থ, সতেজ এবং কর্মক্ষম।

তাই শীতে মধু পান করে আপনার শরীর গরম রাখতে পারবেন, তাই প্রতিদিন নিয়মিত মধু পান করেন।

এই ধরনের আরো আপডেট পেতে আমার ওয়েবসাইট পহেলা ডট ইনফো এর সাথে থাকুন, আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

This Post Has 7 Comments

  1. vreyro linomit

    I just could not depart your web site before suggesting that I really enjoyed the standard info a person provide for your visitors? Is going to be back often in order to check up on new posts

  2. Amran

    Thanks bro for being by my side

  3. vreyrolinomit

    Lovely website! I am loving it!! Will be back later to read some more. I am taking your feeds also

    1. Amran

      You can leave a message on my Facebook ID Amran Hossain

  4. Gebruikte laptop

    Wonderful website. A lot of useful info here. I?¦m sending it to a few buddies ans also sharing in delicious. And certainly, thanks for your effort!

Leave a Reply